বাংলাদেশ

‘‌নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের বিকল্প নেই’


  রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের বিকল্প নেই। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে ব্যাপক জনসচেতনতাও গড়ে তুলতে হবে।   আগামীকাল শুক্রবার ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০১৮’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘নিরাপদ খাদ্যে ভরবো দেশ-সবাই মিলে গড়বো সোনার বাংলাদেশ’।   আবদুল হামিদ বলেন, উৎপাদনের মাঠ থেকে খাবার টেবিল পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ খাবার নিশ্চিতকরণে আমাদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। কৃষকদের সচেতন ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। সার ও কীটনাশক ব্যবহার, খাদ্যদ্রব্যের প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাতকরণ, সরবরাহ ব্যবস্থা, সংরক্ষণসহ খাদ্যশৃঙ্খলের প্রতিটি ক্ষেত্রকে নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।   বাণীতে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে শামিল হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।   নিরাপদ খাদ্য দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। অনিরাপদ খাদ্য অনেক সময় মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করে। এজন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা খুবই জরুরি।   আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নসহ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারিকে ‘জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস’ ঘোষণা সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *