রাজনীতি

সম্মেলন নিয়ে ছাত্রলীগে সরগরম আলোচনা, হয়নি প্রস্তুতি কমিটি

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
চলতি মাসের ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল ছাত্রলীগের ২৯ কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সম্মেলন নিয়ে ছাত্ররাজনীতির আতুর ঘর মধুর ক্যান্টিনে চলছে সরগরম আলোচনা। সম্মেলনে প্রার্থীর বয়স কত হবে, কোন অঞ্চল থেকে নেতা হবে, নেতা তৈরি সিন্ডিকেট ভাঙবে কিনা, প্রধানমন্ত্রী নিজেই নেতৃত্ব বাছাই করে দিবেন এসব আলোচনায় প্রতিদিন মুখর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন।   তবে সম্মেলনের মাত্র একমাস সামনে থাকা সত্তে¡ও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের ঘোষণা না দেয়া ও  সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি কমিটি না করায় সঠিক সময়ে সম্মেলন নিয়ে সংশয়ও তৈরি হয়েছে। আগামী ৩১ মার্চ ছাত্রলীগের সম্মেলন আদৌ হবে কি না তা নিয়েও আলোচনা করছেন নেতাকর্মীরা।    জানা যায়, ২৮ তম সম্মেলনের আড়াই মাসে আগে সংবাদ সম্মেলন করে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিলো। আর এক মাস আগে প্রস্তুতি কমিটির সভা হয়েছিলো। সে হিসেবে সংবাদ সম্মেলন করে সম্মেলন ও  প্রস্তুতি কমিটির বিষয়ে ছাত্রলীগের জানানোর কথা। ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগে সংবাদ সম্মেলন করে প্রস্তুতি কমিটির সভা আহ্বান হয়। প্রস্তুতি কমিটি কত সদস্য বিশিষ্ট, কোথায় সম্মেলন হবে, সম্ভাব্য কেমন নেতৃত্ব আসবে সেটাও প্রস্তুতি কমিটিতে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এসবের কিছুই হয়নি এখনও।    এবিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলছেন, তারা চাইলে এক সপ্তাহ আগেও প্রস্তুতি কমিটির সভা করতে পারে।   গত ১২ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে সম্মেলনের তারিখ ঠিক করা হয়। এর আগে ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে মার্চ মাসেই সম্মেলন করা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা বলে জানিয়েছিলেন।    প্রস্তুতি কমিটির সভা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পদ প্রত্যাশীরা। তারা বলছেন সম্মেলন না দিতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি কমিটির সভা হচ্ছে না।    এ বিষয়ে ছাত্রলীগের এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি না করার কারণে সম্মেলনের জন্য এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। কারণ, সারাদেশে-বিদেশে ছাত্রলীগের এতগুলো ইউনিট (১১০টি)। এই ইউনিটগুলোর মধ্যে সম্মেলন নিয়ে এক ধরনের আয়োজন থাকবে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যদি প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা না করে তাহলে তো সারাদেশের ইউটিনগুলো প্রস্তুতি নিতে পারবে না।    এসব বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, সম্মেলনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা চাইলে সম্মেলনের এক সপ্তাহ আগেও প্রস্তুত কমিটি করতে পারি। যথা সময়ে সম্মেলন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।    ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনও একই কথা বলেন।    এদিকে, ছাত্রলীগের পদ প্রত্যাশীরা প্রত্যাশা করছেন, এবারের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই কর্মঠ, দক্ষ, যোগ্য পরিশ্রমী ও পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *