লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল বদলান

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নিজের শরীর ফিট রাখতে প্রয়োজন পরিমিত আহার। যাকে বলা হয় ডায়েট। কিন্তু শুধু ডায়েট করলেই শরীর ফিট থাকে না। এ জন্য নিজের লাইফস্টাইলটাও বদলানো জরুরি।   ডায়েট করার কথা ভাবলে প্রথমেই মাথায় আসে শরীরের পক্ষে ভালো এমন খাবার গ্রহণের বিষয়টি। অনেকেই ভাবেন ফল মানেই ভালো খাবার। তবে ফল ও ভালো খাবারের মধ্যে একটা অদ্ভুত বিভেদ রয়েছে। যেমন—কলা, আতা, সফেদা, আঙ্গুর খেলে শরীর মোটা হয়ে যাবে আর তরমুজ, পেঁপে, কমলা লেবুর মতো ফল লো ফ্যাট হয়—এমন ধারণা আমাদের বদ্ধমূল।    কয়েক বছর আগে এক গবেষণায় জানা গেছে, ভরা পেটে (ফলে যে সুগার থাকে) খেলে তা ট্রাইগ্লিসেরাইডে (এক ধরনের ফ্যাট যা আমাদের রক্তের মধ্যে থাকে) পরিবর্তিত হয়। ট্রাইগ্লিসেরাইড খুব বেড়ে গেলে তা থেকে হার্টের অসুখ, ইনসুলিন ইনসেনসিটিভিটি হতে পারে। এতে অবশ্যই আমরা আরও মোটা হয়ে যেতে পারি। আমাদের শরীর সব রকম ফ্রাকটোসকেই সমানভাবে ট্রাইগ্লিসেরাইডে পরিণত করে। তা সে যে ফল থেকেই আসুক না কেন। এ জন্য আপনি ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন না।    অবশ্যই খান কিন্তু আপনার পছন্দের মিষ্টির থেকে বেশি উপকারী, এটা না ভাবাই ভালো। ফলের পুষ্টিগুণ তখনই কাজ করবে যখন আপনি শুধু ফল একটা স্বয়ং সম্পূর্ণ খাবার হিসেবে খাবেন সকালে বা এক্সারসাইজ করার পর। রাতের খাবারের পর ডেজার্টের পরিবর্তে নয়। ফল সম্বন্ধে আরও একটা ভুল ধারণা হলো, ফলের রস ফলের মতোই উপকারী। সবজি বা ফল থেকে রস বের করে নিলে তাতে প্রায় ভিটামিন বা মিনারেল থাকে না বললেই চলে।    ফাইবার ছাড়া ফলের রসকে পুষ্টিশূন্য রঙিন পানি বললে ভুল বলা হবে না। ফলের মধ্যে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে তা ফলের রসে আর কার্যকর হয় না। সেইজন্য ফল খেলে চিবিয়ে খাবেন। শরীরের পক্ষে তা ভালো তো বটেই, ফল চিবানোর সঙ্গে সঙ্গে মাড়ির ম্যাসেজ হয়ে যাবে। ফল খাওয়ার আসল ম্যাজিক লুকিয়ে আছে একটা ছোট, শব্দের উপর—‘পরিমিত’। ফল শরীরের জন্য ভালো। ফল অবশ্যই খাবেন কিন্তু অন্য কোনো খাবারের বদলি হিসেবে নয়। আসলে ‘সেফ’ ফুড বলে কিছু হয় না। বুদ্ধি করে সঠিক খাবার সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে খাওয়াই শরীরের পক্ষে ভালো।   টি প স   ১. শুধু ডায়েট ফলো করলেই হবে না। নিজের লাইফস্টাইল, এক্সারসাইজ এবং ভাবনাচিন্তা সব ঠিকঠাক মতো চললে তবেই ডায়েট কাজ করবে।   ২. ঠিক খাবার বা ভুল খাবার বলে সত্যিই কিছু হয় না। আমরা কখন, কীভাবে খাচ্ছি তার উপরই নির্ভর করে ওয়েট নিয়ন্ত্রণ।   ৩. সুপার ফ্রি ফুডের উপর পুরোপুরি ভরসা করবেন না। এগুলো সব সময় স্বাস্থ্যকর নয়।  

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *