ফিচার্ড পোস্ট

দুদকে তাবিথ আউয়ালকে সাড়ে তিনঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে ও দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুরে পৌণে ২টা পর্যন্ত টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করেন কমিশনের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা আখতার হামিদ ভূইয়া। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল তাবিথ আউয়ালকে তলব করে দুদক।   এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাবিথ আউয়াল সাংবাদিকদের বলেন, একটা অনুসন্ধান চলছে, এই অনুসন্ধানের মাঝে কথা বলায় আইনি বাধা আছে এবং আমিও মনে করি বলাটা ঠিক হবে না। তবে আমি আশাবাদী যে একটা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের পর সত্যটা সামনে চলে আসবে। দুদক কী অভিযোগ পেয়েছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা দুদক থেকে জেনে নিতে হবে, তবে আমি এতটুকু বলতে পারি, আমাদের মধ্যে বেশ সুষ্ঠু কথাবার্তা হয়েছে।   দুদকের অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্যেশেপ্রণোদিত কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মনে করি বর্তমান যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেশে বিরাজ করছে, আমরা এখনো অপেক্ষায় আছি যে একটা সুষ্ঠু আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া জামিন নিয়ে অবশ্যই ফিরে আসবে। প্রতিটা জিনিস যা হচ্ছে আমি মনে করি, তা একটা রাজনৈতিক ডিস্ট্রাকশনের জন্য। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি যতই আমাদের নামে অভিযোগ আসুক, সমস্যা তৈরি করুক আমরা এগিয়ে থাকবো দল হিসেবে এবং নাগরিক হিসেবে।    আপনাকে হয়রানী করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের মূল হয়রানি হল দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে, আমরা তার দিকে তাকিয়ে আছি, যত কিছুই হচ্ছে তাকে হয়রানি করার জন্য হচ্ছে। আমি মনে করি সকল অ্যাকশনই সরকার থেকে রাজনৈতিক একটা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এখানে আমার একার বিষয় না, আমাদের সর্বোচ্চ সাবেক প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাই যারা সদস্য আছি, সেই পর্যন্ত।   দুদকের এই অনুসন্ধান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই অর্ডারটা স্থগিত অবস্থায় আছে, আমি আইনতভাবে এখনও প্রার্থী আছি। আমি আশা করি, ইলেকশনটা হবে। অনুসন্ধানটা (দুদকের) শেষ হোক, তারপর বোঝা যাবে এটা দলীয়ভাবে হয়েছিল, নাকি অন্যভাবে হয়েছিল।   দুদক সূত্র জানায়, গত ২ এপ্রিল তাবিথ আউয়াল ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *