শিক্ষা

চবিতে পাহাড়িছাত্র সংগঠনের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ৫


  ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমার্থক দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫জন আহত হন। সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।   আহতরা হলেন- বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সমিনয় চাকমা, পালি বিভাগের বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী নিউটন চাকমা ও একই বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী অমিত্র চাকমা। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাহাড়ি ছাত্র সংঘঠনের ইউনাইটেট পিপলর্স ডেমোক্রেটিক ফন্টের (ইউপিডিএফ) অনুসারী। যার নেতৃত্বদেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুনয়ন চাকমা। অন্যদিকে হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী সোহাগ চাকমা ও পালি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তরুণ চাকমা। তারা পাহাড়ি ছাত্র সংগঠনের জনসংহতি ছাত্র পরিষদের (জেএসএস) অনুসারী। যার নেতৃত্ব দেন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুনিশি চাকমা।   জানা যায়, রবিবার সন্ধায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সামনে পাহাড়ি ছাত্রসংগঠনের ইউপিডিএফ ও জেএসএস অনুসারী দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় সোহাগ চাকমা ও তরুণ চাকমা নামের দুইজন আহত হন। এ ঘটনার জের ধরে রাত ১২টার দিকে শাহজালাল হলের সামনে ইউপিডিএফের অনুসারীরা জড়ো হয়। পরবর্তীতে পুলিশ এসে তাদেরকে সরিয়ে দেয়।  এ ঘটনার জেরে সোমবার সকাল ১০টায় জেএসএসের অনুসারীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট এলাকার নাহারকুঞ্জ নামের এক কটেজে থাকা ইউপিডিএফ অনুসারীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এসময় তিনজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।   বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুনয়ন চাকমা বলেন, রবিবার ফুটবল খেলা কেন্দ্র করে সামান্য ঝামেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে আমরা প্রক্টর অফিসে একটি মৌখিক অভিযোগ দেয়। তিনি আমাদের প্রাথমিক আশ্বাস দেয়। কিন্তু সোমবার সকালে আমাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় তারা। এর জন্য আমরা আবার প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।   বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুনিশি চাকমা বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের ছেলেদের ওপর উত্যক্ত করে আসছিল। সেই জেরে খেলাকে কেন্দ্র করে রবিবার আমাদের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে তারা। এ বিষয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।   এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, সংঘর্ষে জরিত দুই পক্ষই আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এ ব্যাপারে  কারা জড়িত তাদেরকে তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *