রাজনীতি

গণহত্যা দিবস যারা পালন করে না তারা পাকিস্তানের দোসর: কাদের

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একাত্তরের কালরাতের স্মরণে ২৫ মার্চ যারা গণহত্যা দিবস পালন করে না, তারা পাকিস্তানের দোসর। এর মাধ্যমে তারা পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষা করছে। রবিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির বিশেষ যাত্রীসেবা ‘উষা সার্ভিস’, ‘উত্তরা সার্কুলার সার্ভিস’ ও ‘অফিস যাত্রী সার্ভিস’র উদ্বোধনকালে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এই দেশে কারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করছে? কারা জঙ্গিবাদে মদদ দিচ্ছে এটা মানুষ জানে। পাকিস্তানের বন্ধু হিসেবেই এরা পরিচিত।   ওবায়দুল কাদের যারা এই গণহত্যার দায় স্বীকার করেনি, দুঃখ প্রকাশ করেনি, অনুতাপ করেনি, পাকিস্তানের সেই বন্ধুরাই গণহত্যা দিবস পালন করে না। এইচএম এরশাদের ক্ষমতা দখলের দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তার দল জাতীয় পার্টির (এ) জনসভা করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে খারাপ লাগার মত আরও অনেক বিষয় আছে। তিনি বলেন, তারাতো নিবন্ধিত বৈধ রাজনৈতিক দল হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ দেশে এ সকল বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করে লাভ নেই।    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘স্বৈরাচার শক্তি হিসাবে আমরা যাকে বলি, স্বৈরাচার পতনের কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনে এরশাদ সাহেব পাঁচ সিটে (আসন) বিজয়ী হয়েছিলেন। তারাতো নির্বাচন করে এসেছে, এখন সংসদে বিরোধী দল হিসাবে আছে। বৈধ রাজনৈতিক দল হিসাবে তাদের সভা-সমাবেশ নতুন কিছু নয়। এখন সোহরাওয়ার্দীতে করার পর কেন প্রশ্ন আসবে।’   আওয়ামী লীগ এক সময় এরশাদবিরোধী আন্দোলন করেছিল, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে জাতীয় পার্টির শনিবারের সমাবেশ নিয়ে খারাপ লেগেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ দেশে খারাপ লাগার আরও বিষয় আছে। সেগুলোতো হজম করে যাচ্ছি।’ জার্মান এক গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে স্বৈরশাসনে থাকা দেশের কাতারে ফেলার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটা নিয়ে তার কিছু বলার নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের দলের সিনিয়র সদস্য তোফায়েল আহমেদ ও এইচ টি ইমাম সাহেব এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে আমি এইটা বুঝি, যেই মুহূর্তে জাতিসংঘ আমাদের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রাথমিক স্বীকৃতি দিল, সেই মুহূর্তে এই রিপোর্ট কেন?  এইটা আমার প্রশ্ন।’   অনুষ্ঠানে তিনটি নতুন রুটে বিআরটিসির বাস সেবার উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।  ‘ঊষা’, ‘অফিস যাত্রী’ ও ‘উত্তরা সার্কুলার’ নামের এই বাসগুলো সদরঘাট থেকে আবদুল্লাহপুর, খিলক্ষেত থেকে মতিঝিল এবং উত্তরার বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে চলাচল করবে। ‌‌   ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২৩টি নতুন রুটে ৬৫টি গাড়ি চালু করা হয়েছে। আজকেও তিনটি রুটে বিআরটিসির ১০টি গাড়ি যাবে। দীর্ঘদিন মেরামত না হওয়ায় অনেকগুলো গাড়ি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সে রকম ১২০টি গাড়ি চালু হয়েছে।’ ভারত থেকে ৫০০ ট্রাক, ২০০ দোতলা বাস এবং ১০০ নন এসি গাড়ি আনার বিষয়ে শিগগিরই টেন্ডার হবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আশা করছি আগামী অক্টোবরের মধ্যে এ সকল বাস বিআরটিসির বহরে যুক্ত হবে।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *