ফিচার্ড পোস্ট

এখন করণীয় বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তো সবকিছুই নাকচ করে দিয়েছেন। অতীতেও নাকচ করেছেন আবার কথাও বলেছেন। রাজনীতিতে তো শেষ কথা বলে কিছু নেই। এখন কী করবো সেটার ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। রবিবার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।    তিনি বলেন, আসল ব্যাপার হচ্ছে আপনি সমস্যা সমাধান করতে চান কিনা, আপনি বাংলাদেশকে কিভাবে দেখতে চান, এটাকে কি একটি একদলীয় রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান, নাকি দেখতে চান কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র হিসেবে। সেটা হচ্ছে মূল কথা। সংবিধান তো আর কোন বাইবেল বা কোরআন নয়। সংবিধান হচ্ছে মানুষের দ্বারা প্রণীত মানুষের জন্য রাষ্ট্র পরিচালনার একটি বিধান। সেটাকে পরিবর্তন করা, সংশোধন করা তো সবসময়ই সম্ভব।   তিনি বলেন, সর্বক্ষেত্রে ব্যর্থ সরকার হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছে। তারা (সরকার) চিরদিন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্নে বিভোর হয়ে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলে স্বৈরতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে।   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি তার প্রাপ্য। কারণ ইতোমধ্যে হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগ তাকে জামিন দিয়েছেন। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন রকমের কৌশলের সেই জামিনকে বিলম্বিত করা হচ্ছে। এই মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা। উনারা ওনাদের আট হাজার মামলা মাফ করে দিয়েছেন। উনার নিজের ১৫টি মামলা খারিজ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তারা খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।   ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি আদালত অথবা রাষ্ট্রপতির ক্ষমার ওপর নির্ভর করছে’ প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির রাজনীতি কি তাহলে কারো ক্ষমার ওপর নির্ভর করছে? প্রধানমন্ত্রীর কথায় তাইতো মনে হচ্ছে। রাজনীতি কারো ক্ষমার ওপর নির্ভর করে না।   আমির খসরু বলেন, বিএনপি ও তার চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনীতি জনগণকে নিয়ে। তিনি জনগণের জন্য রাজনীতি করেন। আর গণতন্ত্রে রাজনীতিই হলো জনগণকে নিয়ে।   এছাড়া রবিবার এক বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *